সময় সকাল ৭:১২, সোমবার, ২০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,
৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৩রা জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

বালিয়াকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ বছর ধরে এক্স-রে মেশিন বিকল

বালিয়াকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ বছর ধরে এক্স-রে মেশিন বিকল

 

বালিয়াকান্দি (রাজবাড়ী) সংবাদদাতা ঃ রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার ৫০ শর্য্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক্স-রে মেশিন ১০ বছর ধরে বিকল হয়ে পড়ে রয়েছে। নেই পর্যাপ্ত চিকিৎসক। এতে সমস্যার সম্মুখিন হতে হচ্ছে রোগীদের।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সরকারীভাবে উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের আড়াই লাখ জনবসতির স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে ৫০ শর্য্যা হাসপাতাল ১টি, উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র ৪টি, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র ৩টি ও কমিউনিটি ক্লিনিক ২৩ টি নির্মান করেছে। পূর্বে জনসংখ্যা অনুযায়ী ৩১ শর্য্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ১জন, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ১জন, মেডিকেল অফিসার ২জন, কনসালট্যান্ট সার্জারী ১জন, মেডিসিন ১জন, গাইনী ১জন, এনেসথেশিয়া ১জন ও ডেন্টাল সার্জন ১জন সহ অন্যান্য স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ১জন করে মোট ১৬ জন ডাক্তারের পদ থাকলেও বর্তমানে ৫০ শর্য্যা হাসপাতালে উন্নীত হলেও নেই পর্যাপ্ত চিকিৎসক। যে কজন আছে তা দিয়েই চলছে উপজেলাবাসীর স্বাস্থ্য সেবা। ২০১৩ সাল হতে এ পর্যন্ত অপারেশন থিয়েটার (ও টি) সম্পূর্নরূপে বন্ধ থাকলেও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল্লাহ আল মুরাদ যোগদানের পর থেকে পুনরায় সচল হয়েছে। ২০০৯ সাল থেকে বিকল হওয়ার কারণে বন্ধ রয়েছে এক্স-রে মেশিনটিও। উর্ধতন কতৃপক্ষের চাপে মাঝে মধ্যে গাইনী ডাক্তার সহ দক্ষ ডাক্তারদের পোষ্টিং হলেও প্রভাবশালীদের হস্তক্ষেপে অনেকেই যোগদান না করে তাদের পছন্দমত স্থানে চলে যান। দীর্ঘদিন চিকিৎসা কাজে ৪র্থশ্রেনী কর্মচারী ২৩টি পদের ১১টি পদই শূন্য রয়েছে । ব্যয়ভার বহন করতে না পারায় ৪০ কেবির জেনারেটরটি চালু করার অভাবে গোডাউনে পড়ে আছে। ২০১১ সালে ২৫ মার্চ ৩১ শর্য্যা হতে ৫০ শর্য্যা হাসপাতালের উদ্বোধন করেন, রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ জিল্লুল হাকিম। ৫০ শর্য্যায় উন্নীতকরনের পর প্রশাসনিক অনুমতিসহ কিছু উপকরনও বরাদ্দ পাওয়া যায়। এ অবস্থার মধ্যেই দিয়েই শুরু হয়েছে ৫০ শর্যার কার্যক্রম। এলাকাবাসী দ্রুত হাসপাতালটিতে জনবল পদায়নের দাবী জানিয়েছেন।

হাসপাতালে আসা রোগীরা জানান, এক্স-রে মেশিন না থাকার কারণে রাজবাড়ী বা ফরিদপুরে যেতে হয়। এতে যেমন বাড়ছে সময় ও খরচ ব্যায়। দ্রুত এক্স-রে মেশিনটি প্রদানের দাবী জানান।

বালিয়াকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ এ,এস,এম আব্দুল্লাহ আল মুরাদ জানান, ৫০ শর্য্যার কার্যক্রম শুরু হয়েছে অনেক আগে থেকেই। জরুরী ভিত্তিতে জনবল নিয়োগ, এক্স-রে মেশিন সচল করতে উর্ধ্বতন কতৃপক্ষকে অবগত করেছি। এক্স-রে মেশিনটি প্রদানের আশ্বাস দিলেও জায়গার অভাবে এখন আনতে পারছি না। নতুন ভবনের কাজ চলছে, কাজ শেষ হলেই এক্স-রে মেশিন আনা হবে।

সম্পাদকঃ  অনুজিত সরকার
প্রকাশকঃ মুহাম্মদ রকিবুল হাসান
ই-মেইলঃ [email protected]

কপিরাইট © ২০১৮ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক রাজবাড়ী